[
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/dcpoint.jpg",
    "name": "নিদ্রা সমুদ্র সৈকত (ডিসি পয়েন্ট)",
    "address": "বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত সৈকতের নাম নিদ্রা। যার পরতে পরতে যেন সোনাঝরা রোদ খেলা করে। সাগর, নদী, কেওড়া ও ঝাউবনে ঘেরা দৃষ্টিনন্দন জায়গা এটি।",
    "description": "ছবিতে কেউ দেখলে প্রথমেই ভেবে নেবেন, জায়গাটা সীতাকুণ্ডের  গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত। তবে  গুলিয়াখালীর চেয়েও অনেক বেশি নয়নাভিরাম। কেওড়া, ঝাউবন ও ছৈলাগাছের সারি বাড়তি সৌন্দর্যের পসরা মেলেছে। পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর– এই তিন নদীর মোহনায় নিদ্রা সমুদ্রসৈকত। নিদ্রার চারপাশে ছোট ছোট গর্ত রয়েছে। তারই মাঝে জোয়ার-ভাটার পানি খেলা করে। এই দৃশ্য দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। নদী অববাহিকার নোনাপানিতে সৃষ্টি হয়েছে প্রায় দুই কিলোমিটার লম্বা বেলাভূমি। সবুজ ঘাস, চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাগরের মুক্ত বাতাস আপনার মন কাড়বে।\n\nযাবেন কীভাবে :\nঢাকা-কুয়াকাটার বাসে চড়ে আমতলী যেতে হবে। সেখান থেকে অটো অথবা মোটরবাইকে যেতে হবে তালতলীর নিদ্রা সৈকতে। নদী দেখতে দেখতে যেতে চাইলে ঢাকার সদরঘাট থেকে জাহাজে চড়ে বরিশাল/পটুয়াখালী/তালতলী পর্যন্ত যাওয়া যাবে।\n\nঅথবা, বরগুনা থেকে চালিতাতলী খেয়ায় উঠে বগির বাজার, বগির বাজার থেকে গাড়িতে উঠে তালতলী বাজার,তালতলী বাজার থেকে গাড়িতে উঠে একদম ডিসি পয়েন্ট।\n\nথাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা :\nনিদ্রা সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে গেলে হাতের কাছে হোটেল পাবেন না। বরগুনায় ভ্রমণে গেলে স্থানীয় কারও কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তাঁবু গেড়ে থাকা যাবে। আশপাশে থাকা জেলে পরিবারদের সঙ্গে আলাপ করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/haringhata.jpg",
    "name": "হরিণঘাটা পর্যটন কেন্দ্র",
    "address": "বরিশাল শহর থেকে প্রায় ১১৫ কি.মি. দক্ষিণে ২০,০০০ একর জুড়ে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় অবস্থিত।",
    "description": "ম্যানগ্রোভ বন আর সাগরের বিশাল জলরাশি মাঝে মানুষের সমাগম বাড়িয়ে দিয়েছে এর ফুট ট্রেইল। ফুট ট্রেইল নির্মাণ শুরুর ফলে হরিণঘাটা বনে আকর্ষণীয় পর্যটনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।  প্রতিদিন হরিণঘাটা বনে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। বিভিন্ন প্রজাতির গাছ আর বন্যপ্রাণীর বিচরণস্থল এই সুন্দরবনেরই অংশ। হরিণঘাটার পাশ দিয়ে বয়ে চলা বলেশ্বর, বিষখালি এবং পায়রা নদী বঙ্গোপোসাগরে গিয়েই মিলেছে। নয়ানাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে আরেকটু বৃদ্ধি করতেই এতে ওয়াচ টাওয়ার সংযোজন করা হয়ছে। সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে তৈরী রাস্তা নদীর কাছে যায়। বনের ভেতর দিয়ে আঁকাবাঁকায় নির্মাণকৃত এ ফুটট্রেইল প্রায় ২,৯৫০ মিটার দীর্ঘ। এ ফুট ট্রেইল বনের ভেতর দিয়ে সাগর মোহনায় সৃজিত ঝাউবন পর্যন্ত বিস্তৃত। দর্শনার্থীদের একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য বনের ভেতর থেমে থেমে চারটি বিশ্রামাগার সদৃশ গোলঘর নির্মাণ করা আছে। দৃষ্টিনন্দন এ বনে প্রাকৃতিক কেওড়া, পশুর, গেওয়াসহ সৃজিত সুন্দরী ও ঝাউবন রয়েছে। এখানে হিংস্র প্রাণী না থাকলেও আছে হরিণ, বন মোরগ, বানর, শুকর, গুইসাপ, নানা প্রজাতির সরীসৃপসহ ২০ প্রজাতির বন্য প্রাণী। বনে আছে অন্তত ৫০ প্রজাতির পাখি আর অগণিত ফরিং ও প্রজাপতিসহ নানা প্রাণীকূল । শীত মৌসুমে সৃষ্টি হয় বিদেশী পরিযায়ী পাখীর পদচারণা। \n\nপাথরঘাটা থেকে হরিণঘাটা মাত্র ৩০ মিনিটের পথ।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/bibichini_shahi_mosque.jpg",
    "name": "বিবিচিনি শাহী মসজিদ",
    "address": "বিবিচিনি শাহী মসজিদ বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিবি চিনি গ্রামে অবস্থিত।",
    "description": "এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম মসজিদ।\n\nঅবস্থানঃ\nবরগুনার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনিতে এই মসজিদটি অবস্থিত। বরগুনা বেতাগী উপজেলা সদর থেকে আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে উত্তর দিকে ১০ কিলোমিটার পথ অগ্রসর হলেই বিবিচিনি গ্রাম। দিগন্তজোড়া সবুজের বর্ণিল আতিথেয়তায় উদ্ভাসিত ভিন্ন এক ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যে উঁচু টিলার উপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মোঘল স্থাপত্যকর্মের এই ঐতিহাসিক মসজিদ। বিবিচিনি শাহী মসজিদ আমাদের দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/laldiasamudra.jpg",
    "name": "লালদিয়ার বন ও সমুদ্র সৈকত",
    "address": "বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় অবস্থিত বলেশ্বর নদী ও বিষখালি নদীর মোহনায় এবং লালদিয়া বনেরপাশে অবস্থিত। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে এ সৈকত।",
    "description": "পাথরঘাটা যাওয়ার পর মোটর সাইকেলে অতি সহজে লালদিয়া বনে যাওয়া যাবে। হরিণঘাটা থেকে লালদিয়া বন ধরে হেটে গেলে সৈকতে পৌঁছাতে সময় লাগে ঘন্টা দুয়েক।\nএখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়। এক পাশে সমুদ্র অন্য পাশে বন, মাঝে সৈকত, এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রকৃতিতে বিরল। লালদিয়া সমুদ্রসৈকত পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে ঝাউবন। হরিণবাড়িয়া বনে নির্মিত ৯৫০ মিটার দীর্ঘ ফুটট্রেল (পায়ে হাঁটার কাঠের ব্রিজ) সম্প্রসারিত করে লালদিয়া সমুদ্রসৈকত পর্যন্ত নেয়া হয়েছে। ঢাকা হতে সড়ক ও নৌ উভয় পথেই বরগুনা/পাথর ঘাটা যাওয়া যায়।\n\nএখানে কিছু রেস্টুরেন্ট/আবাসিক হোটেল পাবেন, এসব রেস্টুরেন্ট এ দেশী খাবার পরিবেশন করা হয় এবং থাকার উন্নত ব্যবস্থা আছে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/ruhita.jpg",
    "name": "রুহিতা বিচ সমুদ্র সৈকত",
    "address": "বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় অবস্থিত এই আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র “রুহিতা বিচ” দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। \nউপকূলীয় অঞ্চলের এই মনোরম সৈকতের সৌন্দর্য এলাকাবাসী ও ভ্রমণপিপাসুদের মনে এনে দেয় এক অন্যরকম আনন্দ ও উল্লাস।\n🌴 সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যেই এটি নিয়ে রয়েছে ইতিবাচক ভাবনা। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আস্থার জন্য প্রশাসন এবং এলাকাবাসী সর্বদা প্রস্তুত ও সচেতন।\n☀️ যারা প্রকৃতির সান্নিধ্য ভালোবাসেন — নদী, বন, জঙ্গল, পাখির ডাক, খোলা আকাশে মৃদু ঠান্ডা বাতাস, বিকেলের সোনালী সূর্যাস্ত — তাদের জন্য এটি এক স্বপ্নের গন্তব্য। আর যারা নদীর তাজা মাছ উপভোগ করতে চান, তারাও আগেভাগে জানিয়ে এখানে আসতে পারেন।\n🏕️ আমি, মিঠুন মিত্র, প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি — আপনি যদি প্রকৃতি ভালোবাসেন, রুহিতা বিচ আপনাকে মুগ্ধ করবেই!\n🌙 এখানে রয়েছে নিরাপদ তাবু ক্যাম্পিং ও রাত্রীযাপন এর সুযোগ।\n🛶 এছাড়াও রয়েছে সুন্দরবন ভ্রমণ এবং সৈকতের সামনেই অবস্থিত মনোমুগ্ধকর বিহঙ্গ দ্বীপ।\n🎉 তাই পরিবার, স্বজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে আনন্দঘন পিকনিক বা ভ্রমণের জন্য আজই চলে আসুন — রুহিতা বিচ সমুদ্রসৈকত, পাথরঘাটা, বরগুনা!",
    "description": "পাথরঘাটা যাওয়ার পর মোটর সাইকেলে অথবা অটো রিক্সা নিয়ে অতি সহজে  যাওয়া যাবে।  ঢাকা হতে সড়ক ও নৌ উভয় পথেই বরগুনা/পাথরঘাটা যাওয়া যায়।\n\nএখানে কিছু রেস্টুরেন্ট/আবাসিক হোটেল পাবেন, এসব রেস্টুরেন্ট এ দেশী খাবার পরিবেশন করা হয় এবং থাকার উন্নত ব্যবস্থা আছে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/tengragiri_ecopark.jpg",
    "name": "ইকো ট্যুরিজম সোনাকাটা ইকোপার্ক",
    "address": "বরগুনার রাখাইন অধ্যুষিত তালতলীর সর্বদক্ষিনে টেংরাগিরি সংরক্ষিত বনে ইকো ট্যুরিজম সোনাকাটা ইকোপার্ক। দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে পার্কের মধ্যে অবমুক্ত করা হয় হরিন, মেছোবাঘ, কুমির, শুকোরসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণী। শুধু সোনাকাটা ইকোপার্কই নয়।\n\nবরগুনায় রয়েছে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী রাখাইন সম্প্রদায়। রয়েছে হরিনঘাটা বনকেন্দ্র, শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, লালদিয়ারচর, সোনার চর, আশারচর, মোগল স্থাপত্যের নিদর্শন বিবিচিনি শাহী মসজিদ, সুরঞ্জনা ইকো ট্যুরিজম এন্ড রিসোর্টেসহ কমপক্ষে ছোট বড় ২০টি পর্যটন কেন্দ্র। যা প্রতিনিয়ত দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে।",
    "description": "একদিকে গাছগাছালির শ্যামল ছায়া অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গের শোঁ শোঁ গর্জন। মায়াবী চিত্রল হরিণের দুরন্তপনা, রাখাইন নৃগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন, আর বালিয়াড়িতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়ের অপরূপ দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করে। এমন দৃশ্য বরগুনার ইকোপার্কে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/shuvoshondha.jpg",
    "name": "শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত",
    "address": "যেভাবে পৌঁছাবেন:\n\nঢাকা থেকে\n\nরুট: ঢাকা (সায়েদাবাদ) - তালতলী - শুভ সন্ধ্যা সমুদ্রসৈকত\n\nঢাকা থেকে সরাসরি বাসে তালতলী আসা যাবে। তালতলী থেকে বাইক বা অটো গাড়ি নিয়ে সৈকতে যাওয়া যায়।\n\nখরচ:\nঢাকা → তালতলী (বাস): ৬৫০–৯০০ টাকা (জনপ্রতি)\nতালতলী → সৈকত:\nবাইক: ১৫০–২৫০ টাকা (২ জনের জন্য)\nঅটো: ৫০–৬০ টাকা (জনপ্রতি)\nবরগুনা থেকে\nরুট: বরগুনা → চালিতাতলী → ছোটবগী বাজার → তালতলী → শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত\nবরগুনা থেকে চালিতাতলী খেয়াঘাট পর্যন্ত বাইক বা অটোতে যাওয়া যায়। খেয়া পার হয়ে ছোটবগী বাজার থেকে বাইকে সরাসরি সৈকতে পৌঁছানো যায়।অথবা ছোটবগী বাজার থেকে বাইক বা অটো গাড়িতে তালতলী বাজারে গিয়ে সেখান থেকে আবার অটো বা বাইক নিয়ে সৈকতে যাওয়া যায়।\n\nখরচ:\nবরগুনা → চালিতাতলী:\nবাইক: ৫০–৬০ টাকা (জনপ্রতি)\nঅটো: ৪০–৫০ টাকা (জনপ্রতি)\nখেয়া পারাপার: ২৫ টাকা (জনপ্রতি)\nবগী → তালতলী:\nবাইক: ৫০–৬০ টাকা\nঅটো: ৪০–৫০ টাকা\nবগী → সৈকত (সরাসরি):\nবাইক: ৩০০–৪০০ টাকা (২ জনের জন্য)\nতালতলী → সৈকতের খরচ উপরে দেওয়া হয়েছে।\n\nভ্রমণের সময়:\nবছরের যেকোনো সময়েই শুভ সন্ধ্যা সৈকতে ভ্রমণ করা যায়।\nঅতিরিক্ত খারাপ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশাপূর্ণ দিন এড়িয়ে আসা উত্তম।\nথাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা\nসৈকতের আশপাশে ছোট ছোট দোকানে হালকা নাস্তা পাওয়া যায়।\nদুপুর বা রাতের খাবারের জন্য তালতলী সদরে ভালো ও মাঝারি মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে।\nতালতলী সদরে কয়েকটি আবাসিক হোটেলও রয়েছে—অ্যাপের হোটেল সেকশনে সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।\n\nবিশেষ তথ্য ও সতর্কতা:\nবাইক বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে এলে তালতলী থেকে সৈকত যাওয়ার আগে পর্যাপ্ত ফুয়েল নিয়ে নিন—তালতলীর পরে ফুয়েল পাওয়া কঠিন হতে পারে।\nক্যাম্পিং ঝুঁকিপূর্ণ—রাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল।\nগভীর রাত পর্যন্ত সৈকতে অবস্থান করা নিরাপদ নয়।\nসমুদ্রে গোসলে সতর্ক থাকুন।\nসৈকত ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।",
    "description": "শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত—প্রকৃতির কোলে লুকিয়ে থাকা বরগুনার তালতলীর এক অপার সৌন্দর্যের নাম।\nঝাউবনের দোল, নরম বালুচর আর নিঃশব্দে ডুবে যাওয়া সূর্য মিলে গড়ে তোলে এক মায়াময় বিকেল।\n\nসৈকতের চারপাশ জুড়ে নেই শহরের কোলাহল—আছে শুধু সমুদ্রের গর্জন, বাতাসের ছোঁয়া আর প্রকৃতির শান্ত আহ্বান।\n\nশান্তিপ্রিয় ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এটি এক নিঃসঙ্গ সৌন্দর্যের আশ্রয়—যেখানে প্রকৃতি কথা বলে নিঃশব্দে।\nঅবস্থান:\nশুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের বরগুনা জেলার তালতলীর নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকায় অবস্থিত।\n\nএটি তালতলী উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দক্ষিণ,দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।\nতালতলী থেকে সড়ক পথে দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/suranjana.jpg",
    "name": "সুরঞ্জনা ইকো টুরিজম অ্যান্ড রিসোর্ট",
    "address": "যেভাবে যাবেন:\nরাজধানী থেকে সড়কপথে সরাসরি বরগুনা আসতে পারবেন।\nতবে আপনি ইচ্ছে করলে লঞ্চ যাত্রাকেও যুক্ত করতে পারবেন এ ভ্রমণে। ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে সরাসরি বরগুনা আসতে পারবেন। সেখানে থেকে মোটরসাইকেল বা আটোরিকশা নিয়ে পৌঁছে যাবেন সুরঞ্জনায়। এরপর চারপাশের সবুজের সমারোহ দেখতে দেখতে এবং সাপের মতো লম্বা কাঠের সড়ক ধরে যেতে পারবেন গহীন থেকে আরও গহীনে। বরগুনা সদরে থাকার মতো অনেক আবাসিক হোটেল এবং ডাকবাংলো আছে।",
    "description": "প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বরগুনার সুরঞ্জনা ইকো টুরিজম এন্ড রিসোর্ট। সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের বিষখালী ও খাকদোন নদীর মোহনার পাড়ে বেসরকারি উদ্যোগে এই ইকো পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। পার্কের ভেতরের আঁকাবাঁকা কাঠের পথ ধরে চলে যাওয়া যায় বনের ভেতর। এছাড়াও পার্কের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে বাঘ ও হরিণের ভার্স্কয দেখতে পাওয়া যায়। শোনা যায় পাখির কিচিরমিচির ডাক। যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে চলছে। স্থানীয় সাংবাদিক সোহেল হাফিজ ২০২১ সালে এই ইকো পার্কটি গড়ে তোলেন। যা বরগুনার পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে জানান স্থানীয়রা।\n‘জঙ্গলে মঙ্গল’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/funworld.jpg",
    "name": "ফান ওয়ার্ল্ড শিশুপার্ক",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা মাছ বাজার ব্রিজ পার হয়ে অটো বা রিক্সার মাধ্যমে যাওয়া যায় ভাড়া ১০ টাকা করে। পুরাতন পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশনের একটু সামনে। অথবা বরগুনা নতুন বাস স্ট্যান্ড দিয়ে ৫০০ মিটার দক্ষিণে অবস্থিত।",
    "description": "২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ উদ্বোধন করা হয়, ফান ওয়ার্ল্ড শিশুপার্ক। ঠিকানাঃ খেজুরতলা, মহাসড়ক বরগুনা। শিশুদের জন্য বিনোদনমূলক ৬ টি রাইড আছে দুটি গেমস জোন আছে। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মোবাইলঃ ০১৬১১৮৯৭৪৬৪\n\nভিতরে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা আছে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/nathpoti.jpg",
    "name": "নাথপট্টি লেক",
    "address": "পৌর নাথপট্টি লেক, বরগুনা।",
    "description": "বরগুনা শহরের ঐতিহ্যবাহী নাথপট্টি লেক শহরের প্রাচীন ঐতিহ্য। এই লেকটি বরগুনা পৌরসভা সৌন্দর্যবর্ধনে বাস্তবায়ন করছে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/tulupoint.jpg",
    "name": "কালমেঘা পর্যটন পয়েন্ট",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে বাসে লাগবে মাত্র ৬ ঘন্টা। রাজধানী থেকে সড়কপথে সরাসরি বরগুনা/পাথরঘাটা আসতে পারবেন। মটরসাইকেল বা রিক্সায় সরাসরি কালমেঘা আসতে পারবেন। বরগুনা সদরে কিংবা পাথরঘাটা শহরে থাকার মতো অনেক আবাসিক হোটেল এবং ডাকবাংলো আছে।",
    "description": "বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানকার মনমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করবেই। তাই তো পড়ন্ত বিকাল বেলায় ভিড় করে নিত্য নতুন পর্যটক।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/nilimapoint.jpg",
    "name": "নীলিমা পয়েন্ট",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে বাসে আসতে সময় লাগবে প্রায় ৬ ঘণ্টা। রাজধানী থেকে সড়কপথে বা নৌপথে সরাসরি বরগুনা অথবা পাথরঘাটা আসতে পারবেন। তারপর মোটরসাইকেল বা অটোরিকশায় সরাসরি পাথরঘাটা পৌর শহরের দক্ষিণ ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিষখালী নদীর পাড়ে অবস্থিত নীলিমা পয়েন্টে যেতে পারবেন। বরগুনা সদরে কিংবা পাথরঘাটা শহরে থাকার মতো অনেক আবাসিক হোটেল এবং ডাকবাংলো রয়েছে।",
    "description": "সৌন্দর্যের লীলাভূমি পাথরঘাটার নীলিমা পয়েন্ট। শুধু পাহাড়-পর্বত নয়, উপকূলীয় অঞ্চলও এখন পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সারা বছরই উপকূলীয় উপজেলা পাথরঘাটায় দেখা যায় পর্যটকদের ভিড়। সাগরের জলরাশি ছুঁয়ে এসে শরীরে এনে দেয় প্রশান্তির পরশ, আর বিকেল নামলে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে বাঁধের পারের চরাঞ্চল। সৌন্দর্যপিপাসুরা দিগন্তবিস্তৃত প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বিমোহিত হয়ে হারিয়ে যান আকাশের নীলিমায়।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/rakhain_polli.jpg",
  "name": "রাখাইন পল্লী",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা জেলা সদর থেকে লঞ্চ, ট্রলার অথবা গাড়ি নিয়ে খুব সকালে যাত্রা করুন। সঙ্গে খাবার নিয়ে যেতে পারেন অথবা তালতলীর গ্রামীণ পরিবেশে কোনো হোটেলেও খেয়ে নিতে পারবেন। প্রথমেই যাবেন তালতলীর রাখাইন পল্লীতে। সেখানে ঘুরে দেখার পর আবার যাত্রা শুরু করবেন সোনাকাটা ও আশারচরের উদ্দেশে। সবকিছু দেখতে দেখতে বিকেলটা কেটে যাবে। ফাঁকে ফাঁকে ক্যামেরাবন্দি করতে পারেন অসাধারণ সব দৃশ্য। সূর্যাস্ত দেখে ফিরতি পথে আসুন বরগুনায়।",
  "description": "তালতলীর ঐতিহ্য দুইশ’ বছরের রাখাইন পল্লী। রাখাইন পল্লীতে দেখবেন তাঁতশিল্প, বৌদ্ধ মন্দির, বিভিন্ন ধরনের মূর্তি ও রাখাইন সংস্কৃতির নিদর্শন। এখানে পাবেন রাখাইনদের তাঁতের তৈরি লুঙ্গি, শার্ট, থ্রি-পিস, থামী ও শালসহ বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/bihongodip.jpg",
  "name": "বিহঙ্গ দ্বীপ",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nঢাকা সায়দাবাদ, গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বরগুনা অথবা পাথরঘাটাঘামী বাসে করে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ চত্বর। তারপর স্পিড বোটে করে বিহঙ্গ দ্বীপে যাওয়া যায়। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে বরিশাল, বরগুনার লঞ্চ। পাথরঘাটার কাকচিড়া ঘাট থেকে পাথরঘাটা বাজার হয়ে সড়ক পথে রুহিতা বটতলা থেকে নৌকা যোগে বিহঙ্গ দ্বীপে।",
  "description": "পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি সবুজ ভূ-খন্ড “বিহঙ্গ দ্বীপ” নামে পরিচিতি লাভ করেছে। দ্বীপটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার আর প্রস্থ দেড় কিলোমিটার। কয়েক বছর আগে জেগে ওঠা ওই দ্বীপ পরিযায়ী পাখিদের নির্ভয় বিচরণ। দ্বীপের পশ্চিমে নদীর তীরঘেঁষা ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের নিসর্গ মায়াময় হাতছানি। অপূর্ব নৈসর্গিক আর নয়নাভিরাম দ্বীপটি এখন সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে। দ্বীপের একদিকে সাদা বালু আর একদিকে লাল বালুর মিশেলে এবং প্রাকৃতিকভাবে চরজুড়ে শুভ্র শোভন কাশফুলের সমারোহ। সম্প্রতি সেখানে বন বিভাগের সৃজিত বনায়ন নতুন শোভা বর্ধন করেছে। শীত বিকেলটা এখানে অন্য এক প্রশান্তির আবহ এনে দেয়। সাগর মোহনায় দাঁড়িয়ে দেখা যায় সূর্যাস্ত। বন বিভাগ এই দ্বীপের বনাঞ্চলে হরিণ আর বিপন্ন নানা প্রাণীবৈচিত্র্য অবমুক্ত করে সেখানে অভয়ারণ্য গড়ে তুলছে। ফলে প্রতিদিন পর্যটকরা এখানে এসে জল হাওয়া আর প্রাণ প্রকৃতির শোভন রূপ দর্শনে আসছেন। শীত এলেই দর্শনার্থীরা সাগর ও নদীর সংযোগস্থলে সময় কাটাতে ভিড় করেন।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/sutkipolli.jpg",
  "name": "আশারচর শুটকি পল্লী",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা জেলা সদর থেকে লঞ্চ, ট্রলার অথবা গাড়ি নিয়ে খুব সকালে যাত্রা করুন।",
  "description": "তালতলী উপজেলার জয়াল-ভাঙ্গা, আশারচর, সোনাকাটা, ফকিরহাটের চরগুলোতে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরে তীরে আসা ট্রলার থেকে শ্রমিকরা ঝুড়ি ভরে কাঁচামাছ নিয়ে যাচ্ছেন জেলেপল্লিতে। এরপর মাছগুলো নারী শ্রমিকেরা পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে চাতালে ও বাঁশের মাচায় মাছগুলো চিড়ে লবন দিয়ে রাখছেন রোদে শুকানোর জন্য। আবার কোথাও শুকানোর জন্য বাঁশের খুঁটিতে মাছ ঝুলিয়ে রাখা হয়। অপরদিকে শুকনো মাছ বাছাই করে এক পাশে রাখছেন কিছু শ্রমিক। সব শুঁটকি পল্লীতেই শ্রমিকদের এমন ব্যস্ততার চিত্র, এখানে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের শুঁটকি তৈরি করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম রূপচাঁদা, ছুরি, কোরাল, সুরমা, লইট্টা, পোয়া, চিংড়ি, ছুড়ি, ভোল, মেদসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রয়েছে চাহিদা। আশারচর মূলত শুঁটকির পল্লী হিসেবে সবার পরিচিত। এখানে বিষমুক্ত শুঁটকি তৈরি করা হয়। তাই শীত মৌসুমকে ঘীরে এই চরে শুঁটকি তৈরির হিড়িক পড়েছে। শুঁটকি ব্যবসায়ীরা নভেম্বর থেকে শুরু করে এপ্রিল মাস পর্যন্ত শুঁটকি তৈরি করেন এখানে।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/padma.jpg",
  "name": "পদ্মা পর্যটন কেন্দ্র",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা জেলা সদর থেকে বাস, মোটর সাইকেল নিয়ে যাত্রা করুন।",
  "description": "পদ্মা পর্যটন কেন্দ্র বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানকার মনমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষন করবেই। তাই তো পড়ন্ত বিকাল বেলায় ভিড় করে নিত্য নতুন পর্যটক। এখানে বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীদের মিলন মেলা বসে। এখানে এসে এক দিকে যেমন তারা খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে তেমনি একে অপরে বিভিন্ন বিষয় আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা করে থাকে।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/ruhita_aduri.jpg",
  "name": "আদুরী সমুদ্র সৈকত",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nঢাকা সায়দাবাদ, গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বরগুনা অথবা পাথরঘাটাঘামী বাসে করে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ চত্বর। তারপর স্পিড বোটে করে বিহঙ্গ দ্বীপে যাওয়া যায়। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে বরিশাল, বরগুনার লঞ্চ। পাথরঘাটার কাকচিড়া ঘাট থেকে পাথরঘাটা বাজার হয়ে সড়ক পথে রুহিতা আদুরী সমুদ্র সৈকত।",
  "description": "পাথরঘাটা উপজেলার সমুদ্র মোহনায় বলেশ্বর নদের কোলঘেষা রুহিতা এলাকায় প্রকৃতি গড়ে দিয়েছে আদুরী সমুদ্র সৈকত। যার ওপারে সুন্দরবন, মাঝখানে বিহঙ্গ দ্বীপ।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/mohona.jpg",
    "name": "মোহনা পর্যটন কেন্দ্র",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা পৌরসভা ভবন থেকে বাসে পরীরখাল যেতে হবে। সেখান থেকে প্রতি দশ বা বিশ মিনিট পর পর অটোরিক্সা ছাড়ে যা দিয়ে পালের বালিয়াতলী যাওয়া যাবে। এছাড়াও মোটরসাইকেলে বরগুনা সদর থেকে ৪০ মিনিটে গন্তব্যে যাওয়া যাবে।",
    "description": "বরগুনা জেলা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এলাকাটির নাম পালের বালিয়াতলী। পায়রা-বিষখালী নদীর মোহনার প্রায় এক কিলোমিটার জায়গার নদীতীর দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠেছে ‘সবুজ বরগুনা’ নামের একটি সংগঠনের কর্মীদের স্বেচ্ছাশ্রমে। নান্দনিক হয়ে ওঠা এই জায়গা এখন দেখলে যে কারও চোখ জুড়িয়ে যাবে। নদী ভাঙনের হাত থেকে এই জায়গাকে নিরাপদে রাখতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিছানো ব্লক ঢেকে দেয়া হয়েছে নানান রঙ দিয়ে। শুধু তাই নয়, দুর্গম এই এলাকার মানুষ যাতে ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় সেজন্য লাগানো হয়েছে ৩০টির মতো বটগাছ।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/bukabunia.jpg",
  "name": "মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nঢাকা হতে পাথরঘাটাগামী বাসযোগে বামনা ঢুষখালী স্ট্যান্ডে নেমে টমটম, মাহিন্দ্র, ম্যাজিক, রিক্সা কিংবা ভ্যানযোগে বুকাবুনিয়া মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টর কেন্দ্র গমন করা যায়।",
  "description": "১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বামনার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ছিল ৯ নং পটুয়াখালী সেক্টরের সাব-সেক্টর সদর দপ্তর। বুকাবুনিয়া এবং বামনা থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। বর্তমানে বুকাবুনিয়াতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স।"
  },
  {
  "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/golgacher_gur.jpg",
  "name": "গোলের গুড়ের গ্রাম",
  "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা জেলা সদর থেকে লঞ্চ, ট্রলার অথবা গাড়ি নিয়ে খুব সকালে যাত্রা করুন। সঙ্গে খাবার নিয়ে যেতে পারেন অথবা তালতলীর গ্রামীণ পরিবেশে কোনো হোটেলেও খেয়ে নিতে পারবেন।",
  "description": "বরগুনার উপকূলীয় তালতলী উপজেলার বেহেলা গ্রামে গোলগাছের গুড় চাষ। সুস্বাদু গুরের স্বাদ চাহিদা এবং সুনামের কারনে এ গুরের চাহিদা এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে ভারতেও রয়েছে। তাই এখন এ গুর ভারতেও যাচ্ছে। এতে ভাগ্য ফিরছে ওই গ্রামের শতাধিক পারিবারের। গোল গাছের গুড় বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি হচ্ছে তারা। তালতলী উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, উপজেলায় ১’শ ২০ হেক্টর জমিতে গোল গাছের আবাদ হয়েছে। আবাদকৃত জমিতে অন্তত ২৫ হাজার গোল গাছ রয়েছে। এর মধ্যে কড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বেহালা ও দক্ষিণ বেহালা গ্রামে অন্তত ২০ হাজার গোলপাতার গাছ রয়েছে। অবশিষ্ট গাছ গেন্ডামারা, লাউপাড়া ও সকিনা গ্রামে। গত ৫০ বছর ধরে এ গ্রাম গুলোতে গোলগাছের চাষ হয়ে আসছে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/saplazil.jpg",
    "name": "শাপলার ঝিল",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nপাথরঘাটা শহর থেকে সরাসরি অটো বা ভিবাটেক কিংবা মোটরসাইকেলে বাদুরতলা হয়ে সরাসরি পদ্মা বাজার আসবেন। সেখান থেকে উত্তর দিকে পদ্মা সৈকত। ওখানে স্থানীয় লোকদের কাছে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দিবে শাপলার ঝিল স্পট।",
    "description": "বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা সৈকতের পাশেই এই শাপলার ঝিল। দিন দিন দর্শনার্থীদের আনাগোনা বেড়ে চলেছে। খুব সহজেই যাওয়া যায় এখানে।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/pakhirchar.jpg",
    "name": "ঝোপখালী পাখির চর",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা বা বেতাগী শহর থেকে সরাসরি ট্রলার নিয়ে এই ঝোপখালী পাখির চরে যেতে পারবেন।",
    "description": "বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় এই ঝোপখালী পাখির চর। ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ বশির গাজী এর ফলক উন্মোচন করেন।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/tulupark.jpg",
    "name": "টুলু পার্ক",
    "address": "যেভাবে যাবেনঃ\nবরগুনা সদর থেকে বেতাগী গামী পরিবহনে ৪৫ মিনিট সময় এর মধ্যে কাউনিয়া বাজারে  নেমে ১৫ টাকা অটো ভাড়া দিয়ে সরাসরি বদনিখালী ব্লকে নির্ধারিত স্থানে চলে আসবেন।",
    "description": "বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ৫নং বুড়ামজুমদার ইউনিয়নে বদনিখালী বিষ খালি নদীর পাড়ে  অবস্থিত। এখানকার বৈরী আবহাওয়া ও দৃশ  পর্যটকদের মনোমুগ্ধ করে। তাই তো পড়ন্ত বিকেল বেলায়  ভিড় করে হাজার হাজার  নিত্য নতুন পর্যটক।"
  },
  {
    "coverImage": "https://purified.shop/bargunatotthosebaapp/image/noltona_beach.jpg",
    "name": "নলটোনা সমুদ্র সৈকত",
    "address": "বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নে অবস্থিত।",
    "description": "বরগুনা শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নলটোনা সৈকত এখন জনপ্রিয় একটি পর্যটন স্থান। সহজ যোগাযোগব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, এবং পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার জন্য এটি একটি নিরাপদ জায়গা। স্থানীয়ভাবে এটি বরগুনা সৈকত নামেও পরিচিত।"
  }
  
  
]
